Jugersathi

গোপালগঞ্জে ধাণের শীষের প্রার্থী ডা. বাবরের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘন ও ভয়ভীতি প্রদানের অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার:
গোপালগঞ্জ-২ আসনের নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে এবং প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের গুরুতর অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এইচ খান মঞ্জুর নির্বাচন পরিচালনা কমিটি। শনিবার দুপুরে এম এইচ খান মঞ্জুর লঞ্চঘাটস্থ বাস ভবনে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কমিটির সদস্য মো. জামাল উদ্দিন শেখ।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, হরিণ মার্কার স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এইচ খান মঞ্জু একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রথম নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন। এছাড়া তিনি গোপালগঞ্জ-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও একটি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি ও সাধারণ মানুষের সাথে নিবিড় সম্পর্কের কারণে নির্বাচনী প্রচারণায় তিনি ব্যাপক গণজোয়ার সৃষ্টি করেছেন।
তবে এই জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ডা. কে এম বাবর আলী ও তার সমর্থকরা নানা অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়। জামাল উদ্দিন শেখ বলেন, ডা. বাবর ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে থানা পাড়ায় সরকারি জায়গা ও খালের ওপর ভবন নির্মাণ করে ক্লিনিক পরিচালনা করছেন এবং খালের ভেতরে ময়লা ফেলে পরিবেশের চরম ক্ষতি করছেন। এছাড়া ওই ক্লিনিকে ভুল চিকিৎসার মাধ্যমে মা ও শিশু মৃত্যুর মতো ঘটনা ঘটেছে এবং বর্তমানে সাধারণ মানুষকে মামলা-হামলার ভয় দেখিয়ে এলাকাছাড়া করা হচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন।
নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, জেলা প্রশাসন স্কুলের সামনে রঙিন বিলবোর্ড, পোস্টার ও ফেস্টুন লাগিয়ে নির্বাচনী বিধি ভঙ্গ করা হচ্ছে, যা শহরের সৌন্দর্যও নষ্ট করছে। এমনকি ইতিপূর্বে যৌথ বাহিনীর অভিযানে ডা. বাবরের বাসা থেকে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছিল বলেও সংবাদ সম্মেলনে তথ্য প্রদান করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকরা হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, হামলা বা মামলার ভয় দেখিয়ে এম এইচ খান মঞ্জুকে জনগণের ভালোবাসা থেকে বিচ্ছিন্ন করা যাবে না। ১২ই ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে গোপালগঞ্জের মানুষ ব্যালটের মাধ্যমে এসব অপকর্মের উপযুক্ত জবাব দেবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। নির্বাচনী প্রচারণায় সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে এবং আচরণবিধি রক্ষায় জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।

Scroll to Top