Jugersathi

কি আছে কে এম বাবরের নির্বাচনী হলফনামা ও সম্পদের বিবরণীতে।

গোপালগঞ্জ- ২

ব্যক্তিগত ও পেশাগত পরিচয়:
প্রার্থীর নাম কে এম বাবর । তার পিতার নাম মোঃ সুরত আলী খান এবং মাতার নাম মোমেজান বেগম । তিনি পেশায় একজন চিকিৎসক এবং তার স্ত্রী রাবেয়া আক্তারও একজন চিকিৎসক হিসেবে কর্মরত । তার সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা এমবিবিএস । বর্তমানে তিনি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামে বসবাস করছেন । তার দুই সন্তান রয়েছে—ছেলে আশহাব খান আরাফ এবং মেয়ে রুবাইয়া খান অর্পা, যারা উভয়েই শিক্ষার্থী ।

বাৎসরিক আয়ের উৎস
প্রার্থীর মোট বাৎসরিক আয় ১৯,১৮,৫৮৪ টাকা । তার আয়ের প্রধান খাতগুলো হলো কৃষি থেকে ১,৮৮,৫০৯ টাকা, ব্যবসা থেকে ১১,৭৪,৫০০ টাকা এবং চিকিৎসা পেশা বা চাকরি থেকে ১০,০০,০০০ টাকা । এছাড়া ব্যাংক আমানত থেকে তিনি বছরে ২৮,৩৯২ টাকা মুনাফা অর্জন করেন ।

অস্থাবর সম্পদ
কে এম বাবরের নিজের নামে নগদ ৮,৬১,৯৯৩ টাকা রয়েছে এবং তার স্ত্রীর নামে আছে ৫০,০০০ টাকা । ব্যাংকে তার জমা আছে ১,৭৬,০০৩ টাকা এবং তার স্ত্রীর ব্যাংকে জমার পরিমাণ ১,০৬,৪১০ টাকা । প্রার্থীর ৩,০০,০০০ টাকার সঞ্চয়পত্র রয়েছে এবং তার স্ত্রীর নামেও সমপরিমাণ অর্থাৎ ৩,০০,০০০ টাকার সঞ্চয়পত্র রয়েছে । প্রার্থীর একটি প্রাইভেট কার আছে যার অর্জনকালীন মূল্য ২৪,৮০,০০০ টাকা । অলঙ্কারের ক্ষেত্রে প্রার্থীর নিজের কাছে উপহার হিসেবে প্রাপ্ত ৪ ভরি সোনা এবং স্ত্রীর কাছে উপহার হিসেবে প্রাপ্ত ২০ ভরি সোনা রয়েছে । এছাড়া প্রার্থীর আসবাবপত্রের মূল্য ৮০,০০০ টাকা এবং ইলেকট্রনিক সামগ্রীর মূল্য ৪২,৫০০ টাকা ।

স্থাবর সম্পদ
প্রার্থীর পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত ৯৪৫ শতাংশ কৃষি জমি রয়েছে । এছাড়া তার নিজের নামে ০.৬৮৯ শতাংশ অকৃষি জমি রয়েছে যার মূল্য ৩,২৪,৪৯৫ টাকা । তার স্ত্রীর নামে পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত ১২ শতাংশ জমি এবং ১,০২,৫৮,৯০০ টাকা মূল্যের একটি নির্মাণাধীন ভবন রয়েছে । যৌথ মালিকানায় আরও ১৫ শতাংশ জমি রয়েছে বলে হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে ।

ঋণ ও দায়-দেনা
প্রার্থীর নামে ডাচ-বাংলা ব্যাংক (DBBL) থেকে এককভাবে ১২,৯১,৮৮০ টাকা এবং যৌথভাবে ৬৫,০০,০০০ টাকার ঋণ রয়েছে । এছাড়া তার উপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের নামে ১২,৯২,৪২৮ টাকার ঋণ রয়েছে । প্রার্থীর স্ত্রীর ভবন নির্মাণ বাবদ ২৮,৪৩,০৮২ টাকার ব্যক্তিগত দায় রয়েছে । তবে এই সকল ঋণ বর্তমানে “খেলাপী নয়” হিসেবে বর্ণিত হয়েছে ।

মামলা ও অন্যান্য
কে এম বাবরের বিরুদ্ধে বর্তমানে বা অতীতে কোনো ফৌজদারি মামলা ছিল না । তিনি এর আগে কখনও জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হননি । ২০২৪-২০২৫ করবর্ষে তিনি ৮১৩২৭৬৭২৩২৩৯ টিআইএন নম্বরের বিপরীতে ১১,৮৮,৫০৯ টাকা আয় প্রদর্শন করে ৬০,১২১ টাকা আয়কর প্রদান করেছেন ।

Scroll to Top