স্টাফ রিপোর্টার
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসে দীর্ঘদিন ধরে লোকবল সংকট থাকায় ধীর গতিতে চলছে কার্যক্রম। প্রায় দীর্ঘ ৫ বছর ধরে শুণ্য থাকা পদের কাজও করতে হয় উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাকে। ৩ জনের কাজ একা করার কারনে প্রশাসনিক কাজ এবং মাঠপর্যায়ের তদারকি ও কার্যক্রমে দেখা দিয়েছে ধীরগতি। যার প্রভাব পড়েছে মৎস্যচাষ ও উৎপাদন ব্যবস্থাপনায়।
অফিস সূত্রে জানা যায়, গোপালগঞ্জ জেলার অন্যতম একটি মৎস্যসমৃদ্ধ অঞ্চল টুঙ্গিপাড়া। এখানে বছরে বিপুল পরিমাণ মিঠাপানির মাছ উৎপাদিত হয়, যা জেলার চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা হয়। কিন্তু পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় মৎস্য উন্নয়ন প্রকল্প ও মাঠ পর্যায়ের কাজ বাস্তবায়নে সৃষ্টি হয়েছে প্রতিবন্ধকতা ।বর্তমানে অফিসটিতে ৫ টি পদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ দুটি পদ সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা ও অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদ প্রায় ৫ বছর ধরে শূন্য অবস্থায় রয়েছে। দুটি পদে জনবল না থাকায় অফিসের সকল দাপ্তরিক এবং মাঠ পর্যায়ে মৎস্যচাষিদের পরামর্শ প্রদান, তথ্য সংগ্রহ ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যক্রম ব্যহত হচ্ছে।
সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা দেবাশীষ বাছাড় বলেন, দুইটি গুরুত্বপূর্ণ পদ ফাকা রয়েছে। ফিল্ড অ্যাসিস্ট্যান্ট ও অফিস সহায়ক নিয়ে সকল কার্যক্রম চালাতে হচ্ছে। যে কারণে বাস্তবিকভাবে কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি অবগত আছেন। শূণ্য পদগুলোতে জনবল নিয়োগ হলে মৎস্য খাতের উন্নয়ন বাড়ানো সম্ভব হবে।
তিনি আরও বলেন, শুধু তাই নয় যদি ইউনিয়ন পর্যায়ে মাঠকর্মীর পদ সৃষ্টি করা হয় তাহলে থাকলে চাষিদের সমস্যাগুলো খুবই দ্রুত চিহ্নিতের মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব । যেহেতু এই পদ উপজেলা অফিসে নেই সেহেতু কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ করবো যাতে এই পদ সৃষ্টির মাধ্যমে মৎস্য খাতের অধিকতর উন্নয়নে ভুমিকা রাখতে পারে।